Posts

Showing posts from July, 2020

একবাক্যে বাক্যহারা!

আপিস ফেরত দোমহনী বাজার  থেকে তিস্তার বেশ বড় নধর বোয়ালটা সস্তাতেই পেয়ে হাতে দড়িতে বাঁধা মাছটা ঝোলাতে ঝোলাতে বাঁধ বেয়ে বেশ কিছু পথ পেরিয়ে এসে বিপুলবাবুর মনে হল মাছটা না কাটিয়ে বাড়ি নিয়ে গেলে এই ভর সন্ধ্যায় গিন্নী বড়োই মুখ ঝামটা দেবে,সাত-পাঁচ ভাবতেই বাঁধের ধারে এক সিড়িঙ্গে লোককে দেখতে পেলেন মোম জ্বালিয়ে আঁশবঁটি নিয়ে বসে আছে,বিপুলবাবু মাছটা কাটতে দিয়ে একটা মজলিশি বিড়ি ধরিয়ে বোয়াল মাছের রসায় ডুবে যেতে যেতেই ক্যারিব্যাগে মাছটি ফেরত পেয়ে মোড়ে এসে ভ্যান রিক্সায় চেপে বাড়ি পৌঁছলেন আর গিন্নীর হাতে সোল্লাশে মাছটি তুলে দিলেন, তারপর------- গিন্নী ক্যারিব্যাগ থেকে বের করে আনলেন গোটা আড়াই কেজি বোয়াল মাছের একটি আস্ত রগরগে কঙ্কাল! ©Anirban Banerjee

গরুমারার গেরো!

আজকে যে ঘটনাটি জানাতে চলেছি,সেই সম্পর্কে আমি নিজে এখনো প্রচুর কাহিনী শুনে থাকা সত্ত্বেও আমি নিজে কিন্তু সেই এলাকায় বারংবার ঘুরেও কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হইনি।এমন কি রাত দুটোর সময়েও আমি ও আমার স্ত্রী সেই নিশ্চিন্দ্র বিরাট জঙ্গলের সুদীর্ঘ নিশ্চল নিশ্চুপ পথে  গাড়ি নিয়ে দুই-তিন পাক দিয়েও কোনো অশৈলী ঘটনার সাক্ষী থাকতে পারিনি।হ্যাঁ,আজ আমি আমাদের ঘরের,আমাদের ডুয়ার্সের গরুমারা অভয়ারণ্যের কথাই বলছি!এই অভয়ারণ্য এবং এর গা ঘেঁষা টিয়াবন এবং লাটাগুড়ি নিয়ে প্রচুর জনশ্রুতি প্রচলিত আছে।সেই কলেজ জীবন থেকে এসব নিয়ে প্রচুর গল্প শুনে এসেছি।সেই আমলে বেশ কিছু পোড়ো বাড়ি এবং অভিশপ্ত জায়গাতে আমাদের দু-চারজন বন্ধুর ভূত খোঁজার  অভিসার চলতো প্রায়ই।কিন্তু কোনোদিন কোনো প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা হয়নি সেসব জায়গায়।কিন্তু লাটাগুড়ি ফরেষ্টের ভেতরকার প্রচুর গল্প তখনো শুনতাম,এমনকি এখনো শুনি।সেখানে,বিশেষ করে টিয়াবন আর  বীচাভাঙা লেভেল ক্রসিং এই দুই জায়গা নিয়ে সব চাইতে বেশী ঘটনার উল্লেখ মেলে।একজন সুশ্রী যুবতী নাকি মোটরবাইকে কোনো আরোহীকে একা পেলে তার কাছ থেকে লিফট চান এবং প্রায় সব ক্ষেত্রেই শোনা গেছে বেশীরভাগ আরোহীই নাকি...