দুর্গাপূজোর দোরগোড়ায়!
বিগত বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে আমি শুধু আমার অভিজ্ঞতাই শুনিয়ে শুনিয়ে আপনাদের ধৈর্য্যচ্যূতি ঘটাচ্ছি,তাই ভাবলাম আজ একটু অন্যের অভিজ্ঞতার বর্ণনা শোনানো যাক।যদিও এই ঘটনার মধ্যে ভৌতিক উপাদান বা আকর কতোখানি আছে,সেটা নিয়ে আমি নিজেও কিছুটা অন্ধকারে,তবুও সেই বিচারের গুরুদায়িত্ব আজ আপনাদের ওপর বর্তালাম।এক্ষেত্রে আমি আগেই খুব জোর দিয়ে আরেকটি কথা নিজের দায়িত্ব নিয়ে বলে রাখছি।ভূত বলুন বা অশরীরি, আমাদের ছোটবেলার বা বড়বেলার গল্পে শোনা বা পড়া বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা জেনেছি যে,ওনারা আলো সহ্য করতে পারেন না!এমনকি,আমার জন্মের আগেও আমার বাবা যখন রীতিমতো প্রেতচর্চা করতেন,সেই ঘটনাগুলোও অনেক বড় হওয়ার পরে যখন বাবার কাছ থেকে অনেক কষ্টে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে শোনার চেষ্টা করতাম,বাবাও কিন্তু এই একই কথা আমাকে বলে গেছেন।আবার আমি আমার এক অভিজ্ঞতায় হিমালয়ের যে মহান যোগীর উল্লেখ করেছিলাম,যাঁর সাথে আমার নিয়মিত যোগাযোগ আছে (আমাদের প্রাক্তণ এক রাষ্ট্রপতির তিনি ভাই),তিনি কিন্তু আবার ওঁনার এক ঘটনায় আমাকে প্রখর রোদের মাঝেও দিনের পর দিন প্রেতাত্মার কর্মকান্ডের কথা শুনিয়েছেন।এমনকি ঝুমুরের ঘটনা,বা দোমহনীর ঘটনা বা কালীপূজোর সেই রাতের ঘটনা,য...