Posts

Showing posts from June, 2020

দুর্গাপূজোর দোরগোড়ায়!

বিগত বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে আমি শুধু আমার অভিজ্ঞতাই শুনিয়ে শুনিয়ে আপনাদের ধৈর্য্যচ্যূতি ঘটাচ্ছি,তাই ভাবলাম আজ একটু অন্যের অভিজ্ঞতার বর্ণনা শোনানো যাক।যদিও এই ঘটনার মধ্যে ভৌতিক উপাদান বা আকর কতোখানি আছে,সেটা নিয়ে আমি নিজেও কিছুটা অন্ধকারে,তবুও সেই বিচারের গুরুদায়িত্ব আজ আপনাদের ওপর বর্তালাম।এক্ষেত্রে আমি আগেই খুব জোর দিয়ে আরেকটি কথা নিজের দায়িত্ব নিয়ে বলে রাখছি।ভূত বলুন বা অশরীরি, আমাদের ছোটবেলার বা বড়বেলার গল্পে শোনা বা পড়া বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা জেনেছি যে,ওনারা আলো সহ্য করতে পারেন না!এমনকি,আমার জন্মের আগেও আমার বাবা যখন রীতিমতো প্রেতচর্চা করতেন,সেই ঘটনাগুলোও অনেক বড় হওয়ার পরে যখন বাবার কাছ থেকে অনেক কষ্টে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে শোনার চেষ্টা করতাম,বাবাও কিন্তু এই একই কথা আমাকে বলে গেছেন।আবার আমি আমার এক অভিজ্ঞতায় হিমালয়ের যে মহান যোগীর উল্লেখ করেছিলাম,যাঁর সাথে আমার নিয়মিত যোগাযোগ আছে (আমাদের প্রাক্তণ এক রাষ্ট্রপতির তিনি ভাই),তিনি কিন্তু আবার ওঁনার এক ঘটনায় আমাকে প্রখর রোদের মাঝেও দিনের পর দিন প্রেতাত্মার কর্মকান্ডের কথা শুনিয়েছেন।এমনকি ঝুমুরের ঘটনা,বা দোমহনীর ঘটনা বা কালীপূজোর সেই রাতের ঘটনা,য...

এক লাইনের ভূতের গল্প।

রাতের বেলা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘরে ফিরে বিছানার দিকে তাকিয়ে  অবনীবাবু দেখলেন তিনি বিছানাতেই শুয়ে আছেন।

জলশহরের আলেয়া।।

প্রথমেই আপনাদের জানিয়ে রাখি,আজ যে ঘটনাটা লিখতে চলেছি সেটি আমার নিজের শহরের অর্থাৎ জলপাইগুড়ির বুকেই আমার সাথে ঘটেছিল।আমার জীবনে ঘটা আগের যে তিনখানা ভয়ঙ্কর এবং মজার ঘটনাগুলো লিখেছিলাম,এই ঘটনা তার থেকে অনেকটাই আলাদা।অন্ততঃ আমার ক্ষেত্রে এই ঘটনাটির আলাদা একটি স্থান সব সময়েই থেকে যাবে কারন এই ঘটনাটির আগে আরো অন্যান্য অনেক ঘটনা ঘটে গেলেও এই অভিজ্ঞতার সময় আমি একটু ভয় পেয়েছিলাম।যদিও ভয়টা তখন ছিল না,ভয়টা এসেছিল বেশ কিছুদিন বাদে এবং তা বেশ কিছুদিনের জন্য আমার মনে গেঁথে বসেছিল।কিন্তু আজ এই ঘটনাটা লিখতে গিয়ে প্রথমেই আরো যে ব্যাপারটা আপনাদের জানানো প্রয়োজন সেটা হল,আমার সাথে সেদিন যে তিন জন বন্ধু উপস্থিত ছিলো,তাদের প্রত্যেকেরই আপত্তি আছে নিজেদের নাম প্রকাশ করাতে,সেই জন্য আমার নিজের পরিচয় এবং স্থান,কাল সব এক রেখেও আমাকে আমার ওই তিন বন্ধুর নাম পরিবর্তন করতে হচ্ছে।আশা করি এটুকু খুঁত আপনারা মার্জনা করে দেবেন। আমি যে সময়কার কথা বলছি,সেটা ২০০৭ সাল।২০০৬ সাল থেকে জলপাইগুড়ির বেগুনটারীতে আমার কম্পিউটারের দোকান। তখনো আমি ফটোগ্রাফিকে পেশা হিসেবে শুরু করিনি।কিন্তু আমার তখনকার এক অন্যতম প্রিয় বন্ধু ছিল এক ফটোগ্রা...

কেরালা।।

কেরালা, তুমি বিদ্বান তবু মান-হুঁশ কিছু নেই, তোমার জঠরে মানুষ? প্রভু! সে শুধু রুপেতেই। কেরালা, তোমার শরমেতে আজ- মাথা হয়ে গেছে নত, ধিক্কারে ভরা-করে গেলে কাজ, সমাজের বুকে ক্ষত। কেরালা, আজ রক্তঅশ্রু,ঝরছে দুর্নিবার, মানবতা মাথা খুঁড়ছে আর,বুকে শুধু হাহাকার! (আজ ৩-৬-২০২০,কেরালায় আনারসের ভেতর বাজি ভরে গর্ভবতী হাতীকে হত্যার পরে,আর কিছু ভাল লাগছে না।) © Anirban Banerjee

দোমহনীর গোলকধাঁধাঁয়।।

আমার জীবনের আধিভৌতিক এবং ভৌতিক অভিজ্ঞতাগুলো,যেগুলোর জন্য  অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হয়তো আমার পারিপার্শ্বিক পরিমন্ডল দায়ী কিংবা অজ্ঞাতেই হয়তো বা বাবার সাহচর্য্য  দায়ী।কারন আমি আগেই আমার লেখা  দুটো অভিজ্ঞতায় জানিয়েছি (ঝুমুরের অভিজ্ঞতা, কালীপূজোর ভয়াল রাতে) জ্ঞানতঃ বাবা কোনোদিনও চাননি যে আমি এইসব ভৌতিক বা পারলৌকিক  কার্যক্রমে কোনোভাবেই মনোনিবেশ করি।কিন্তু স্বাভাবিক কারনেই ছোট্ট থেকেই আমার এইসব নিষিদ্ধ ব্যাপারেই উৎসাহ ছিল সব চাইতে বেশী।এবং সেই কারনেই বাহাদুর,ম্যানড্রেক,বাঁটুল দি গ্রেট এবং অমর চিত্র কথা পড়ার পাশাপাশি বাবার বইয়ের র‍্যাক থেকে নামিয়ে সেসব বইয়ের ভেতর ঢুকিয়ে পড়ে ফেলতাম ভোজবাজি,ইন্দ্রজাল এসব সম্পর্কিত সব বাংলা পুঁথি।এছাড়াও স্বামী অভেদানন্দজীর "মরণের পারে" এবং রাজেন্দ্রলাল আচার্য্যর " মৃত্যুর পরপারে"।এছাড়া আরো অনেক মহান যোগীর জীবনী পড়ে ফেলেছিলাম সেই বয়েসেই।আমার এসব আধিভৌতিক এবং ভৌতিক অভিজ্ঞতাগুলো লেখা শেষ হয়ে গেলে আমার ইচ্ছে রইলো এমন একজন মহান যোগী সম্পর্কে আপনাদের অবহিত করাবো যিনি এখনো হিমালয়ে বিরাজমান এবং আমার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ আছে।উনি আমার বাড়িতেও গত তিন বছরে খুব...