করোনা,কেড়ো না আর সৃষ্টির প্রাণ, অগোছালো সভ্যতা,লুটে যাওয়া ত্রাণ। ভ্রূণ থেকে ভুঁইফোঁড়,হোক সে বিলেতি লাশ; তোমার আগ্রাসন-কঠোর মৃত্যু গ্রাস! হাহাকার,মহামারী,কালোবাজারীর ছায়া, তোমার শক্তিশালী,নিকষ-করাল-কায়া! করোনা,বেড়ো না তুমি-কলির সন্ধ্যেবেলা, দেখো--পথ শুনশান! অবসাদ করে খেলা। অশুভ আশঙ্কাতে ত্রাহি-ত্রাহি চারপাশ অটল বদ্ধ ঘরে- জনে জনে হাঁসফাঁস। খাওয়া আজ আছে,কাল সেটাও হবে যে শেষ, তোমার যাওয়ার পরেও রয়ে যাবে সেই রেশ। করোনা,তুমি কি জানো- তোমার জন্মদাতা আমাদেরই একজন! হায় রে পরিত্রাতা! সভ্যতা অসভ্য,শুধুই যে প্রাণ চায়, তাইতো সদাই সে ধ্বংসের দিকে ধায়। অরণ্য? বেবাক ফাঁকা। জীবকুল? মার-কাট আমাজনে আগুন তো সেটারই গোপন সাঁট। পরমাণু,আণবিক,জীবাণু,মৃত্যুবাণ আনুষঙ্গিক সবই,কোরাসে শেষের গান। মানুষ তো বোঝে সব,তবুও অবুঝ অতি, গোবর হাসে তো তাই,ঘুঁটে পুড়ে কার ক্ষতি?? করোনা,এসেছো তুমি,হয়তো এটাই ভালো! শাপেতে হয়তো বর-এইবেলা হয়ে গেলো। এবারেও সচেতন-না হই যদি বা, সবে- সভ্যতা কোন ছার,পৃথিবী ধ্বংস হবে। মনকে শুধিয়ে দেখো-সবুজ প্রকৃতি চাও না কি যান্ত্রিক সুখে আত্মা বিকিয়ে দাও? এখনই তো শেষ দিন, লড়াই, বা মেনে হার নতুন সকাল দেখো ক...