পোড়া কপাল।
রাইত্যের বেলা সেদিন আমি ফিরতেছিলাম বাড়ি,
মোটর সাইকেল ফটফটায়ে,বাজার নিয়্যা কাঁড়ি।
হঠাৎ দেখি,রাস্তাপাশে দাঁড়ায় আছে কে র্যা?
মিষ্টিসুরে কয় সে আমায়,"একতু দিবেন ছেড়ে?"
হেই শালা রে,মাইয়্যা নাকি? বুক করে ধুক-পুক,
আইজকে হালায় আমার আছে এত্তগুলান সুখ?
কোথায় গেলি বন্ধুগুলান,ইশ রে,পোড়া রাইত,
দিনের বেলা হইলে সবাই জ্বইল্যা হইতো কাইৎ।
এই মওকা ছাড়ান যায়? হাইস্যা কইলাম তাই-
কই যাইবেন? আহেন আহেন,একলগেতে যাই।
গতিবেগ কুড়ির উপর,উঠাই না আর ভুইল্যে
ভাবত্যাছি আর সুখ বেশী নাই,আইলাম প্রায় চইল্যে!
আরিশ্শালা,কপাল আছে! হেইডা দেহি চেনা
ছ্যামড়া দুইহান খাড়ায় আছে,সুযোগ নিবে কে না?
দাঁড়ায় পাশে ডাইক্যা কইলাম,শুন রে ভাই,শুন
ঢ্যামনাদুইডা হাসে দেহো!মুখ না কইর্যা চুন।
উলডা হের্যা আমাকে কয়,কি যে করো ভাই,
টকাই কাকারে নিয়্যা ঘুরো,তোমার কি কাম নাই?
মানে?? আমি বেবাক হাঁদা,অন্ধকারের ফলে
মাইয়্যা ভাইবে ফাঁইস্যা গেছি টকাইকাকার ছলে।
হেই শালা তো যাত্রাপালায় মাইয়্যা সাজে রোজ,
হায় রে হায়,আমার ঘাড়েই চাপলো এমন বোঝ?
কি আর করি? বেবাক হাসে,আমিও হাসি তাই,
আমার মতোন এমন কপাল করিস না রে ভাই।
Comments
Post a Comment