অবাঞ্ছিত আমি

অবাঞ্ছিত আমি



দুই গোলার্ধের পৃথিবীতে

একলা হয়ে বাঁচি,

মাথার ভেতর-

শ্বেতকনিকার রক্তক্ষরণ.

বুকের ভেতর মিছিল করে-

লক্ষ-কোটি মাছি,

মনের মাঝে-

মাকড়সারই পদস্চারণ!



হেঁতালবনে-লখীন্দরের বাসরঘরে-

নির্বিবাদে বস্ত্রহরণ অবক্ষয়ে.

লৌহদোরে কালনাগিনী মাথা খোঁড়ে,

চাঁদ সদাগর ভাসিয়ে ডিঙ্গি-

চলল বয়ে!



তোমার দেহে বিলিয়েছিলাম

আমার-আমি,

সেই দেহেতে রইলে তুমি-

লভ্য স্থানে.

অসহনীয় সুখ-বিলাসে

বড্ড দামী,

মাছবাজারে গন্ডগোলের

মত্ত গানে!



বেহুলার- সুখ,শরীরে কর্মকৃত,

তারপরেতে- কলার ভেলায় জীবনযাপন,

ইন্দ্র-সভায়,জোট সুবাদে অপসৃত.

আমার মনে অবাঞ্ছিত

যোগায় কাঁপন!



রাত্রি যখন গভীর কালো,দুই প্রহরে,

বারবনিতার ভরলো শরীর-মনন জুড়ে.

বিদ্রোহী মন বাজলো হঠাত সুর-লহরে.

সাতটি ঘোড়া তুলত যে ঝড়

অনেক খুরে!



কিম্ভূত সব নট-নটী,স্তব্ধ আকাল,

জীবনযাপন-অন্ধকারের রসদ নিয়ে.

অহর্নিশি অসত্পথে,জবর সকাল.

চাবুকমারা ক্রীতদাসের আবেগ দিয়ে!!

                                                    

Comments

Popular posts from this blog

গুরুদেব।

রাজ।

শেষ লেখা।